ভৌগোলিক অবস্থান ও বদ্বীপীয় গঠন

Hgj

Hq 9 — Official Specifications Breakdown
Display6.73-inch 2K AMOLED, 120Hz
Processor & GPUSnapdragon 8 Elite (3nm)
RAM & Storage16GB LPDDR5X, 512GB UFS 4.0
Rear Cameras50MP 1-inch + 200MP Periscope
Selfie Camera32MP 4K Front
Battery & Charging6,000 mAh, 90W Wired
Estimated Price$1,199 / Official Global
দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সক্রিয় বদ্বীপ। দেশটির উত্তরে ও পশ্চিমে ভারত, পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা—এই তিন প্রধান নদী অববাহিকার পলি জমে এই বিস্তীর্ণ সমতল ভূমি গড়ে উঠেছে। দেশটির মোট আয়তন প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু পাহাড়ি এলাকা ছাড়া দেশের 

অধিকাংশ অঞ্চলই পললগঠিত নিচু সমভূমি।


​বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে নদীগুলোর ভূমিকা প্রধান। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, তিস্তা এবং ব্রহ্মপুত্রসহ শত শত নদী জালের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে আছে। এই নদীব্যবস্থা একদিকে যেমন চাষাবাদের জন্য উর্বর পলিমাটি সরবরাহ করে, অন্যদিকে বর্ষাকালে ভাঙন এবং বন্যার কারণ হয়। ভৌগোলিক গঠনের কারণে বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত। এখানে বছরে মূলত তিনটি প্রধান ঋতু স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়—গ্রীষ্ম, বর্ষা এবং শীত। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলা বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যা দেশের জলসম্পদ ও কৃষিকাজের প্রধান ভিত্তি।


​দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলে

 রয়েছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রাকৃতিক আবাসভূমি এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে রক্ষা করার একটি প্রাকৃতিক প্রাচীর। একই সঙ্গে কক্সবাজারে অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুকাময় সমুদ্রসৈকত দেশটির প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের অংশ।


​ইতিহাসের গতিপথ

​প্রাচীনকালে বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলটি বঙ্গ, পুণ্ড্র, গৌড়, সমতট ও হরিকেল নামের কতগুলো স্বাধীন জনপদে বিভক্ত ছিল। এই জনপদগুলো মৌর্য ও গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময়ও নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য অনেকাংশে ধরে রেখেছিল। সপ্তম শতকে রাজা শশাঙ্কের আমলে বাংলায় প্রথম স্বাধীন বাঙালি রাজ্যের উন্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে পাল রাজবংশ প্রায় চার শতক ধরে শাসন করে, যা বাংলায় বৌদ্ধধর্ম, শিল্পকলা ও শিক্ষার বিকাশের সময় ছিল। পালদের পতনের পর দ্বাদশ শতকে কর্ণাটক থেকে আসা সেন রাজবংশ বাংলায় ক্ষমতা দখল করে এবং সনাতন সামাজিক বিধিবিধান পুনর্গঠন করে।

​ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির নদীয়া বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়। চতুর্দশ শতাব্দীতে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের মাধ্যমে বাংলা দিল্লি সালতানাত থেকে স্বাধীন হয় এবং দীর্ঘ দুই শতক ইলিয়াস শাহী ও হোসেন শাহী রাজবংশের অধীনে স্বাধীন সালতানাত হিসেবে টিকে থাকে। এই পর্বে বাংলা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয় এবং বাংলা ভাষা সাহিত্যচর্চার মাধ্যম হিসেবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায়।

​ষোড়শ শতকের শেষভাগে মুঘল

 সম্রাট আকবরের সেনাপতিরা বারো ভূঁইয়াদের দমন করে বাংলাকে মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবায় পরিণত করেন। রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং শহরটি মসলিন উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়। মুঘল আমলে কৃষি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটে।

🛒 Check Latest Discount & Buy Now on Store →



Chief Editor

Chief Editor

TechPortal Official • Verified Tech Author

Lead Tech Editor & Reviewer

Connect on Facebook →

Discussion (1)

Chief Editor (@admin) 12 hours ago

Nice

Please Sign in or Register to join the discussion.